মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে মানুষের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি দেশের শিল্পখাতের উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। এতে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। অন্যদিকে সারের সংকট কৃষি উৎপাদনকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।
ফয়জুল করীম বলেন, নির্বাচনের আগে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই দেশের সব সংকট কেটে যাবে। কিন্তু সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রমে দেখা যাচ্ছে, সংকট কমার পরিবর্তে আরও গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধীদলও সরকারকে কার্যকরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারছে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করার মতো রাজনৈতিক সৎসাহস দেখাতে পারছে না। ফলে দেশের সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
.png)
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার উদাসীন। নারায়ণগঞ্জে যুবনেতা বুলবুলের হত্যাকাণ্ড দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরই বহিঃপ্রকাশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইন প্রয়োগের চেয়ে আইনের ব্যাখ্যা দিতে বেশি আগ্রহী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় যুবনেতা বুলবুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান শায়েখে চরমোনাই।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী সদর থানা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল মুকিতের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নূরুল করীম আকরাম, নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইউসুফ ভূঁইয়া, সহসভাপতি মাওলানা ফিরোজ আলম, মাওলানা কাউছার আহমদ, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, যুবনেতা ইকবাল হোসাইন ও ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী সদর থানা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আবুল বাশারের সঞ্চালনায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলন শেষে ২০২৬-২০২৮ সেশনের জন্য মুহাম্মদ আবদুল মুকিতকে সভাপতি এবং মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইনকে সেক্রেটারি করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী সদর উপজেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।