ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে দুই নারী গ্রেপ্তার

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:৩০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে দুই নারী গ্রেপ্তার
আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার দুই নারী। ছবি :ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক ট্রেনযাত্রীর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের মামলায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- হবিগঞ্জ সদর থানার উচাইল গ্রামের দুলাল মিয়ার স্ত্রী শাহেনা আক্তার শাহানা ও একই গ্রামের আদিস মিয়ার স্ত্রী নাসিমা বেগম। 

তারা একটি ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রেলওয়ে পুলিশ এ তথ্য জানায়।

এর আগে রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রায়হান ভূঁইয়া তার বোন শান্তা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে পারিবারিক কাজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যেতে আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘চ’ বগিতে ওঠেন।

Advertisement

ট্রেনটি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তারা নামার সময় সংঘবদ্ধ চক্রের কয়েকজন নারী সদস্য কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করেন। এ সময় সেলিনা আক্তারসহ তার সহযোগী শাহেনা, রেজিয়া, খুদেজা, গ্রেপ্তার শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন মিলে শান্তা আক্তারকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে কৌশলে শান্তা আক্তারের পিঠের পেছন দিয়ে ওড়নার নিচে হাত ঢুকিয়ে তার গলায় থাকা এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে শান্তা তাৎক্ষণিক চেইনটি হাত দিয়ে ধরে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে ভাই রায়হান ভূঁইয়া ও ট্রেনে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে সেলিনা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করে। এ সময় অন্যরা কৌশলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সেলিনাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এক পর্যায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে তার সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে।  

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমের ওই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শাহ আলম বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। এটি একটি সংঘবদ্ধ নারী ছিনতাইকারী চক্র। তাদের আরও কয়েকজন সহযোগী পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ//জেডআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!