ঢাকা,  বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আজমুল হত্যা মামলায় আরও এক আসামি গ্রেফতার

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০০, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজমুল হত্যা মামলায় আরও এক আসামি গ্রেফতার
আজমুল হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেফতার শেখ আসিফ হোসেন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজমুল হোসেন হত্যা মামলায় শেখ আসিফ হোসেন (২৮) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার শেখ আসিফ খুলনার পাইকগাছা থানার সনাতনকাটি এলাকার শেখ মিরাজের ছেলে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসআরবি-৬।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসআরবি-৬-এর স্পেশাল কোম্পানি ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসিফকে গ্রেফতার করে।

এ নিয়ে আজমুল হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হলো। এর আগে মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল ও পিরোজপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রতাপ সরকার (২৮), তারেক হাসান ওরফে রুবেল (৩৫) এবং মো. হাসনাত হাবিব রিফাতকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার চারজনের মধ্যে রিফাত মঙ্গলবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আদালতে বিচারক মো. ইব্রাহিম খলিলের সামনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পুলিশের ভাষ্য, জবানবন্দিতে রিফাত নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও ১২ থেকে ১৩ জনের নাম জানিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন জানান, রিফাতের দেওয়া তথ্য যাচাই করে অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

যেভাবে ঘটে আজমুলের মৃত্যু

গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের বিপরীতে মসজিদ গলির একটি ভবনে আজমুল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে মেসে মিল না দিয়ে ভাত খাওয়াকে কেন্দ্র করে আজমুলকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার চুলও কেটে দেওয়া হয়। এ সময় আজমুলের বাবার কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, মারধরের পর আজমুলকে ভবনের চতুর্থ তলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৭ ও ১৯ ব্যাচের রবিন ও মবিন, গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের সাগর এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ওবায়দুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!