নিখোঁজের ছয় দিন পর নির্মাণাধীন ঘরের টয়লেটে মিলল যুবকের মরদেহ
নিখোঁজের ছয় দিন পর নাটোরের বড়াইগ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির টয়লেট থেকে শফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার কালিকাপুর মহল্লার একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শফিকুল ওই এলাকার মৃত শহিদুল ইসলাম শহীদের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর শফিকুল আর ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। তবে তার নিখোঁজের বিষয়ে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন ওই নির্মাণাধীন বাড়ির ভেতর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে যান। পরে টয়লেটের ভেতরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা নাটোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় এক মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে শফিকুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে মরদেহ নির্মাণাধীন বাড়ির টয়লেটে ফেলে রাখা হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে স্থানীয়রা জানান, শফিকুল মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক সেবনের জন্য ওই স্থানে গিয়ে শফিকুলের মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।