ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]
পরিচালক জেলহাজতে

পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

ক্ষুব্ধ জনতার মাদ্রাসা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৫৪, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
পাবনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

 

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। । এ ঘটনায় তাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

 

শুক্রবার  (২৩ অক্টোবর) ভোরে  গভীর রাতে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা  কালুরপাড়া এলাকার নুরে মদিনা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।   

 

অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে  তিনি ওই মহিলা মাদরাসার পরিচালক ছিলেন। দেড়শ মেয়ে শিক্ষার্থীর দ্বারা পরিচালিত মাদরাসাটি।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে  ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা মাঠসংলগ্ন নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ফজরের আজানের আগ দিয়ে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হলে শিক্ষক ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

 

‎ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো বলেও দাবি করেন তিনি।  ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো। মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো বলেও জানান তিনি। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ওই ছাত্রী।

 

‎এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের থাকার বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।  

 

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয় I ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের জয়েছে এবং তাকে পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/পাবনা
ট্যাগ: পাবনা
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!