সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে। আগের মাস ফেব্রুয়ারি শেষে যা ছিল ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ। মার্চ মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে (মার্চ-২০২২) যা ছিল ১২ লাখ ৯১ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা।
.png)
তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আগস্টে এটি বেড়ে ১৪ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল। তবে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমে ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে আসে।
এরপর টানা দুই মাস (অক্টোবর ও নভেম্বর) বেসরকারি খাতে ঋণের এই প্রবৃদ্ধি হয় ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। ডিসেম্বরে এটি আরো কমে ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশে নেমে আসে। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে ১২ দশমিক ৬২ শতাংশে। ফেব্রুয়ারিতে আরো কমে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ। সর্বশেষ মার্চ মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের এই প্রবৃদ্ধি আরো কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশে।
বেসরকারি খাতের ঋণের এই প্রবৃদ্ধি সাধারণভাবে দুই অংকের ঘরেই থাকে। তবে ২০১৯ সালের নভেম্বরে এর ব্যত্যয় ঘটে। ঐ মাসে প্রথমবারের মতো তা নেমে যায় ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। তবে বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাব শুরুর পর ব্যাপক হারে এটি কমে গত ২০২০ সালের মে মাস ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে নেমে আসে। পরের মাস জুন থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে বেসরকারি খাতের ঋণের এই প্রবৃদ্ধি।