বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এ অভিযান চলে।
ডাবের আড়তে গিয়ে জানা যায়, আকারভেদে সবচেয়ে বড় সাইজের ডাবও ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি করলে মুনাফা থাকে ব্যবসায়ীদের। অথচ আড়ত থেকেই তা বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা দরে।
.png)
এই দামের বিপরীতে আড়তদারদেরও রয়েছে নানা যুক্তি। একজন আড়তদার বলেন, গাড়িভাড়ার পেছনে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আমরা দাম না বাড়িয়ে যাব কোথায়? আরেকজনের বক্তব্য, বাজার অনুপাতে ডাব বিক্রি করছি আমরা। মোকামে ডাবের দাম ঊর্ধ্বগতি। তারা যে রেটে আমাদের বলে দেয়, সেই অনুপাতে আমরা বিক্রি করে থাকি।
ডাব কিনতে আসা খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের নির্ধারণ করা দামেই কিনতে হচ্ছে ডাব। অভিযান শেষে আবারও আগের দামেই বিক্রি হবে।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে পুঁজি করে হুট করেই বাড়ানো হয়েছে ডাবের দাম। ক্রয়-রশিদ না দেখানো ও বিক্রয়মূল্য না টাঙানোয় করা হয় জরিমানা।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল জানান, বিক্রেতারা যে ১২০ টাকা দিয়ে ডাব বিক্রি করছেন, তার প্রমাণ তাদের কাছে নেই। ক্যাশমেমো নেই। ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও দেখাতে পারছেন না তারা। মূল্যতালিকা প্রদর্শন করার বিধানও মানছেন না। ফলে ভাসমান অবস্থায় এই ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।
ডাবের দাম নিয়ন্ত্রণে নগরীর খুচরা পয়েন্টগুলোতেও নজরদারির কথাও জানান তিনি। ভোক্তা অধিকারের এ কর্মকর্তা।