ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

ভেঙে স্ক্র্যাপ করা হবে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিস বেঞ্জসহ ৮২ গাড়ি

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:২০, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
ভেঙে স্ক্র্যাপ করা হবে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিস বেঞ্জসহ ৮২ গাড়ি
ছবি: সংগৃহীত

কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধায় বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ৮২টি গাড়ি ভেঙে স্ক্র্যাপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে এসব গাড়ি চলাচলের অনুপযোগী বলে প্রতিবেদন পেয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

স্ক্র্যাপ করা গাড়িগুলো হল- মিত্সুবিশি, মার্সিডিস বেঞ্জ, বিএমডব্লিউ, ল্যান্ড রোভার, ল্যান্ড ক্রুজার, সিআরভি, লেক্সাস, ফোর্ড, জাগুয়ার, দাইয়ু, হোন্ডাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিলাসবহুল গাড়ি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ সূত্রে জানা গেছে, কারনেট ডি প্যাসেজ বা বিশেষ পর্যটন সুবিধায় বিভিন্ন সময়ে দেশে ১২১টি দামি গাড়ি নিয়ে আসেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পর্যটক। এসব গাড়ির মধ্যে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টার পাশাপাশি মামলাসহ নানা জটিলতায় আটকে যায় ৮২টি গাড়ি। এসব গাড়ি ধ্বংস করা হবে।

Advertisement

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার ব্যারিস্টার মো. বদরুজ্জামান মুন্সী জানান, এখানে ৪০ বছরের পুরনো গাড়িও রয়েছে। বহুবার নিলামে তুলেও এসব গাড়ি বিক্রি করা যায়নি। বিআরটিএর সুপারিশ অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ গাড়িগুলো স্ক্র্যাপ করবে। পরে নিলামে এসব বিক্রি করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাড়িগুলো চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে জায়গা দখল করে রাখায় সেখানকার স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

কাস্টমস আইন অনুযায়ী, বন্দরে আসার ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস নিতে হয়। এর মধ্যে না নিলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকারককে নোটিশ দেয়। এর ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস না করালে নিলামে তোলে কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!