শনিবার সদস্যদের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, কিছুসংখ্যক বৈদেশিক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিজিএমইএর অনেক সদস্য প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারণা করেছে এমন ক্রেতাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের তালিকা প্রকাশ এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিজিএমইএর সভাপতি এমএ মান্নান কচি বলেন, কিছু ক্রেতা বিভিন্ন বড় কোম্পানির নামে জাল কাগজ তৈরি করে ক্রয়াদেশ দিয়ে পণ্য নিয়েছে। কিন্তু টাকা পরিশোধ করেনি। এভাবে ব্যবসায়ীদের কয়েকশ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিস্তারিত প্রমাণাদিসহ ঐসব ক্রেতার তালিকা করছি।
.png)
তিনি বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে প্রমাণ আমাদের হাতে আছে। অনেক ক্রেতা আছেন যারা প্রতারণার শিকার হওয়ার পর আমাদের কাছে আসেন না। তাই চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে জানানোর জন্য বলা হয়েছে। এটা সন্দেহজনক নয়, বিস্তারিত প্রমাণসহ তালিকা করে সেটি প্রকাশ করা হবে। এ প্রতারণার ঘটনাগুলো করোনা মহামারির সময় থেকে বেশি ঘটে আসছে। তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।
সদস্যদের দেওয়া ঐ চিঠিতে বিজিএমইএ বলেছে, কিছুসংখ্যক বৈদেশিক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিজিএমইএর অনেক সদস্যপ্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছে। এভাবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সদস্যপ্রতিষ্ঠান প্রতারিত না হয়, তা নিরসনের জন্য বিজিএমইএ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।