রোববার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে লঞ্চিং রিপোর্ট অন বেইওন্ড কটন: এ স্ট্রাটেজিক ব্লু প্রিন্ট ফর ফাইবার ডাইভারসিফিকেশন ইন বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, গত ৩ বছরে দেশের নন কটন রফতানি ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পোশাক শিল্পে নন কটন খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এসেছে। আমাদের নন কটন ফাইবার ও টেক্সটাইল খাতে কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে। অর্থাৎ এ খাতে পোশাক রফতানি আরো বাড়বে।
.png)
তিনি বলেন, আমাদের পোশাক শিল্প মূলত তুলা নির্ভর। তবে বিশ্বের ফ্যাশন বাজার এখন নন কটনের দিকে সরে যাচ্ছে। ভোক্তা পর্যায়ে বৈশ্বিক পোশাক ব্যবহারের ৭৫ শতাংশ নন কটন ও বৈশ্বিক টেক্সটাইল বাণিজ্যের ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নন কটন।
ফারুক হাসান বলেন, নন কটন খাতে বাংলাদেশকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। প্রতিবেশি দেশগুলোতে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে এগিয়ে থাকায় তারা কম দামে নন কটন দিয়ে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে পারে। যেখানে আমাদের নিজস্ব কাঁচামাল না থাকায় কাঁচামাল আমদানি করে নন কটন রফতানি করতে খরচ বেশি পড়ে। তাই এক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।