সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ ঘটনায় সিরাজুল, উষা এবং রবি নামে তিনজন হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানার ওসি হাফিজুর রহমান।
.png)
তিনি বলেন, নারীর গায়ে হাত তোলা এবং মামলার প্রেক্ষিতে তাদের আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয়দের প্রভাব নেই। অথচ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মত ক্যাম্পাসে মারধর, ল্যাপটপ কেড়ে নেয়া, ছিনতাই এমনকি হত্যার ঘটনা ঘটাচ্ছে স্থানীয়রা। আমরা ন্যায় বিচার চাই এবং এসব স্থানীয়দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তারা আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী স্থানীয়দের কাছে নির্যাতিত হয়ে থাকে। আমরা এখানে এসেছি লেখাপড়া করতে নির্যাতিত হওয়ার জন্য নয়। আমাদের দেখভাল করার দায়িত্ব প্রশাসনের কিন্তু তারা নির্বিকার।
রোবাবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুরে মারধরের শিকার হন আইবিএর চার শিক্ষার্থী। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীরা হলেন- আইবিএ এর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান তানভির শোভন, তাসলিমা তানহা শান্তা, তামান্না তারিন প্রাপ্তি এবং শিহাব আল কুরাইশ।
মারধরের শিকার শোভন বলেন, রাত ১১টার দিকে বিনোদপুর বাসস্ট্যান্ডে আমাদের দুই বান্ধবীকে ঢাকার বাসে উঠিয়ে দেয়ার জন্য কাউন্টারের পাশে অবস্থান করছিলাম। এসময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় স্থানীয় কিছু ছেলে আমাদের সঙ্গে থাকা বান্ধবীদের নিয়ে বাজে ভাষায় কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে আমরা কয়েকজন প্রতিবাদ করতে গেলে তারা আমাদেরসহ মেয়েদের মারধর করে।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম