শনিবার সোয়া ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এর আগে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন, কিছুদিন আগে আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের টর্চার সেল রয়েছে। বুয়েটে আবরার হত্যা, রাজশাহী পলিটেকনিকে অধ্যক্ষকে পুকুরে ফেলেছে ছাত্রলীগ। রাবিতেও বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের মারপিট করে ছাত্রলীগ। এসব অপকর্মে ছাত্রলীগের কিছু দুষ্কৃতিকারী জড়িত।
.png)
এসময় তারা সোহরাবের মাথা ফাটানোর ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের তৃতীয় ব্লকে ফাইন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় ছাত্রলীগের দুই কর্মী। মারধরে সোহরাবের বাম হাতের দুই জায়গাও ভেঙে গেছে বলেও জানান তার সহপাঠীরা।
আহত অবস্থায় সোহরাব বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আট নাম্বার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মারধরে অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ কর্মী হলেন আসিফ লাক ও হুমায়ুন কবির নাহিদ। এরা দুইজনই জোহা হল শাখা ছাত্রলীগের দায়িত্বে রয়েছেন এবং রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী।