জানা যায়, এ প্রকল্পের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন। তৃতীয় দফায় ২০১৬ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয় মেয়াদ। সর্বশেষ ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। বারবার মেয়াদ বাড়ানোর পর, অবশেষে আলোর মূখ দেখলো প্রকল্পটি। প্রায় ১০ বছরে সম্পন্ন হলো বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নির্মাণ কাজ।
হলে ছাত্রী উঠানোর ব্যাপারে হল প্রাধ্যক্ষ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম বলেন, ক্যাম্পাস খুললে আমরা হলে ছাত্রী উঠাবো। এরইমধ্যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের নীতিমালা সংগ্রহ করেছি। সেগুলো অনুযায়ী আমরা একটা নীতিমালা প্রণয়ন করব এবং ওই নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী ওঠানো হবে। সককিছুই একটা নীতি অনুযায়ী চলে। এখানেও এর ব্যতিক্রম ঘটবে না। কোনধরনের প্রভাব খাটিয়ে হলে সিট পাওয়া যাবে না।
.png)
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও কিছু নীতিমালা রয়েছে। সে নীতিমালা অনুযায়ী হলে ছাত্রী তোলা হবে। সিন্ডিকেট সভায় হলে ছাত্রী তোলা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে সে অনুযায়ী ছাত্রী তুলবো। তবে কবে নাগাদ করোনা পরিস্থিতি ভালো হবে তার উপর নির্ভর করবে হলে ছাত্রী তোলা।