হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেমের আদেশক্রমে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরান পারভেজের স্বাক্ষরিত একটি আবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডীন বরাবার পাঠানো হয়েছে।
আবেদন পত্রে বলা হয়েছে , ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ online শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের বিনামূলে ডাটা সরবরাহ ও soft loan/grants এর আওতায় স্মার্টফোন সুবিধা দেয়ার কথা বিবেচনায় নিয়েছে।
.png)
এমতাবস্থায় অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আপনার অনুষদের যে সকল শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ক্রয়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা নেই শুধুমাত্র সে সব শিক্ষার্থীর নির্ভুল তালিকা আগামী ১৭/০৮/২০২০ ইং তারিখের মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারী বরাবর সংযুক্ত ছক মোতাবেক স্বাক্ষরিত হার্ড কপি এবং ই-মেইলে সফটকপি প্রেরণ করার জন্য আপনাকে সবিনয় অনুরোধ করা হলো’।
এদিকে উক্ত বিষয় নিয়ে সিএসই অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মাহাবুব হোসেন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি আবেদন পত্রটি হাবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ থেকে পাওয়ার পরপরেই আমার অনুষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। আশা করছি সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানরা উক্ত বিষয়ে নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের তালিকা নির্ধারিত সময়ের মাঝেই করে ফেলবেন’।
করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেসনজট কমানোর লক্ষ্যে বিকল্প পদ্ধতিতে ক্লাস কার্যক্রাম শুরু করার কথা চিন্তা করছে ইউজিসি। তবে ইতিমধ্যে হাবিপ্রবির বেশ কিছু বিভাগ নিজ উদ্যোগে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রাম শুরু করলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে বিষয়টি পুরোপুরি আলোর মুখ দেখছে না।