ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ফলাফলে সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ জিপিএ- ৪.০০ হলেও ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষার্থী জিপিএ- ৪.০৩ পেয়েছেন।
এ ঘটনায় বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষার্থীর (প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা) ফল স্থগিত করা হয়। পরে এক সপ্তাহ পর ‘সংশোধিত ফল’ প্রকাশ করেছে পরীক্ষা কমিটি। সংশোধিত ফলে জিপিএ-৩.৮৮ পেয়েছে ওই শিক্ষার্থী ।
.png)
জানা গেছে, ফলাফল প্রকাশের পর ওই শিক্ষার্থীর সিজিপিএ-৪.০৩ নিয়ে শুরু হয় বির্তক। এতে বাকি শিক্ষার্থীরা সন্দেহ প্রকাশ করলে গত শুক্রবার আবার সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। তবে যেখানে ১২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীর সিজিপিএ ০.০৫ করে কমে যায়। যারা আগে সিজিপিএ-৩.৮২ পেয়েছিল সংশোধিত ফলে এসেছে সিজিপিএ-৩.৭৭। আরেকজনের সিজিপিএ ৩.৯৯ এসেছিল পরে সংশোধিত ফলে সিজিপিএ-৩.৯৪ এসেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, সমস্যাটি মূলত PHR-101 কোর্সে। এই কোর্সে ৬ থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৪.০০ এ মধ্যে ৪.০০ পেয়েছিল।
এদিকে পরীক্ষা কমিটির ভাষ্য, এটা সংশোধন করতে গিয়ে তাদের ট্যাবুলেশন শিট পুনরায় চেক করে মোট ১২ জনের জিপিএ ০.০৫ থেকে ০.০১০ পর্যন্ত কমেছে। এছাড়া PHR-105/106/107 কোর্সে অনেকের A+ ও A থেকে কমে A- ও B+ হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নম্বরপত্র ও ট্যাবুলেশন শিটের শুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, আমরা সব সময় হার্ডকপিতে ফলাফল প্রকাশ করি। কিন্তু এবার কোভিড-১৯’র কারণে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ করেছি। সেখানে এক্সেল শিটে ক্যালকুলেশন করার সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে ভুল হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থীদের কোনো অভিযোগ থাকলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।