রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দলীয় ট্রেন্ড থেকে নতুন কমিটির দাবিতে এক মৌন মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে টুকিটাকি চত্বরে অবস্থান নেয় তারা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল ইসলাম লিংকন বলেন, ২৬তম সম্মেলনের দাবিতে আজ থেকে আমাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলো। এখন থেকে জাতীয় কোন প্রোগ্রাম ছাড়া বর্তমান কমিটির কোনো প্রোগ্রামে আমরা অংশগ্রহণ করবো না।
.png)
সহ-সভাপতি মেজবাহুল ইসলাম বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল এবং অতি দ্রুত ২৬তম সম্মেলনের দাবিতে আমরা মৌন মিছিল এবং টুকিটাকি চত্বরে অবস্থান করেছি। আমরা কোনো স্লোগান ব্যবহার করিনি। আমরা এর মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে আমাদের দাবি জানাচ্ছি। তারা যেনো অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্মেলনের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করে।
রাবি শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ২৫ তম সম্মেলনের পর ১১ ডিসেম্বর গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর আংশিক কমিটির প্রায় ছয় মাস পর ২০১৭ সালের ১৮ জুন ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। বর্তমানে ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নেতাকর্মীদের মধ্যে নিষ্ক্রিয় ২৩১ জন।
বিবাহ, চাকরি ও অন্যন্য কারণে অন্যত্র চলে গেছেন তারা। মাত্র ২১ জন সিনিয়র পদধারী নেতাসহ নতুন কর্মীদের নিয়ে পাঁচ বছর ধরে চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ এই কমিটি। চার বছর আগে মেয়াদ শেষ হলেও নতুন কমিটির বিষয়ে কোন উদ্যোগ না নেয়াতে নতুন নেতৃত্ব যেমন গড়ে উঠছে না, তেমনি অভ্যন্তরীণ কোন্দলসহ বিভিন্ন গ্রুপিং ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় ভেঙ্গে পড়ছে সাংগঠনিক কাঠামো। ফলে হতাশায় নিষ্ক্রিয় হচ্ছে অনেক কর্মী।
মৌন মিছিলে পদপ্রত্যাশী বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল ইসলাম লিংকন, মেজবাহুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুল ইসলাম সরকার (ডন), প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহিল গালিব, উপ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক তাওহীদ দুর্জয়, লতিফ হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক শামীম হোসেনসহ ছাত্রলীগের প্রায় দুই শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।