১। বৈজ্ঞানিক নাম বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক নাম বলতে আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি মেনে জীবের নাম নির্ধারণ করাকে বোঝায়। বৈজ্ঞানিক নাম অবশ্যই লাতিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। এই নামের দুটি অংশ থাকবে। প্রথম অংশটি গণ ও দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি। বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, বাকি সব অক্ষর ছোট হাতের হবে। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens.
.png)
২। মানবদেহে নটোকর্ডের অবস্থান ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মানুষ কর্ডাটা পর্বের ভার্টিব্রাটা উপপর্বের ম্যামালিয়া শ্রেণির প্রাণী। মানুষের দেহে নটোকর্ড উপস্থিত। নটোকর্ড হলো একটি নরম, নমনীয়, দণ্ডাকার, অখণ্ডায়িত অঙ্গ। মানবদেহে নটোকর্ড শুধু ভ্রূণীয় অবস্থায় পৃষ্ঠীয় রেখা বরাবর অবস্থান করে। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এটি মেরুদণ্ডে পরিণত হয়।
৩। প্রাণিজগতের সর্ববৃহৎ পর্বের বাসস্থান ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: প্রাণিজগতের সর্ববৃহৎ পর্ব হলো আর্থ্রোপোডা। এরা পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র সব পরিবেশে বাস করতে সক্ষম। এদের বহু প্রজাতি অন্তঃপরজীবী ও বহিঃপরজীবী হিসেবে বাস করে। বহু প্রাণী স্থলে, স্বাদু পানি ও সমুদ্রে বাস করে।
৪। টিকটিকিকে সরীসৃপ বলা হয় কেন?
উত্তর: টিকটিকি বুকে ভর করে চলে। এদের ত্বক শুষ্ক ও আঁশযুক্ত। এদের চার পায়েই পাঁচটি করে নখরযুক্ত আঙুল আছে। এসব বৈশিষ্ট্য সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীদের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হাওয়ায় টিকটিকিকে সরীসৃপ বলা হয়।
৫। ব্যাঙকে উভচর বলা হয় কেন?
উত্তর: ব্যাঙ জীবনের প্রথম অবস্থায় পানিতে বসবাস করে এবং মাছের মতো বিশেষ ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়; কিন্তু পরিণত বয়সে ডাঙায় বসবাস করে। এ জন্য ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়।
৬। দোয়েল উড়তে পারে কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: দোয়েল পাখি উড়তে পারে। কারণ দোয়েল পাখি অ্যাভিস শ্রেণির তথা পক্ষীকুলের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাণী। এ পাখির অস্থি হালকা, ফাঁপা ও বায়ুপূর্ণ। এ ছাড়া ফুসফুসের সঙ্গে বায়ুথলি নামের বিশেষ অঙ্গের উপস্থিতি থাকায় দোয়েল পাখি সহজেই উড়তে পারে।
৭। শ্রেণিবিন্যাসের গুরুত্ব লেখো।
উত্তর: শ্রেণিবিন্যাসের গুরুত্ব-
ক) শ্রেণিবিন্যাসের সাহায্যে পৃথিবীর সব উদ্ভিদ ও প্রাণী সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সহজে, অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে জানা যায়।
খ) নতুন প্রজাতি শনাক্ত করা যায়।
গ) প্রাণিকুলের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত পাওয়া যায়।