জানা যায়, বিভাগের একটি কোর্সের বিষয়ে হাতে-কলমে শেখাতে ও জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন: এবার প্রক্টরিয়াল টিমের পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের
.png)
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম।
এসময় শতাধিক শিক্ষার্থী ২০টি গ্রুপে ভাগ হয়ে ডায়না চত্বর থেকে পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের অভিযানে নেমে পড়েন।
এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে মাস্ক ও গ্লাভস দেয়া হয়। বিভাগের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ১২০ জন শিক্ষার্থী দিনব্যাপী ক্যাম্পাসের আবর্জনা কুড়ান। ক্যাম্পাসের ভিতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা রকমের পলিথিন, অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কেক, বিস্কুটের প্যাকেট, পিকনিক পরবর্তী ফেলে দেওয়া আবর্জনা পরিষ্কার করে বস্তা বন্দী করেন। এতে শতাধিক বস্তা আবর্জনা জড়ো হয়। পরে সেগুলো ভ্যানে করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়।
আরো পড়ুন: ‘একবার ধরবো, বাধা দিবা না’ ছাত্রীকে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক
আয়োজকরা জানান সংগ্রহকৃত ময়লা ক্যাম্পাসের বাইরে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ব্যবস্থাপনা করা হবে যাতে করে পরিবেশ দূষণ না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা না হয়।
আরো পড়ুন: রাবিতে সিনেমাটিক স্টাইলে ছিনতাই!
এ বিষয়ে ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শান্তা বলেন, ক্যাম্পাসে সৌন্দর্য রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব, পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস দেখতে সবারই ভালো লাগে। এরই বোধ থেকেই বিভাগের শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে আমরা পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরাল, ডায়না চত্বর, জিয়া মোর, আমবাগান, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তন সংলগ্ন এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবন সংলগ্ন এলাকা এবং বিভিন্ন হল পার্শ্ববর্তী এলাকাজুড়ে ক্যাম্পাসের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আবর্জনা আমরা সংগ্রহ করেছি। মাত্র তিন ঘন্টার মধ্যেই আমরা প্রায় ১০০ বস্তারও বেশি ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করেছি।
আরো পড়ুন: হল থেকে অস্ত্রসহ আটক ঢাবি শিক্ষার্থী
এ বিষয়ে বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভাগের একটি কোসের্র নাম ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’। আমার মনে হয় তাদের কোর্সে পড়ানোর পাশাপাশি প্রাকটিক্যালি যদি কিছু শিখাতে পারি তাহেল এটিই বেশি কার্যকর হবে। সেজন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর সাথে ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে আমরা আমাদের বিভাগের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেছি। এর মাধ্যমে আমরা জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি `আমার ক্যাম্পাস আমি পরিষ্কার রাখবো` এই বার্তাটা সবাইকে দিতে চাই। এ ধরনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও পরিচালনা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে আরো বড় পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা করছি।