আর এতে করে সরকারের দেওয়া লক্ষ্য মাত্রার ৯৩ শতাংশই পূরণ করা হয়েছে। তবে দ্রুত শতভাগ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছে শিক্ষা বিভাগ।
জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী টিকা দেওয়ার পরেই সব শিক্ষার্থীকে নিতে হবে পাঠ্যকক্ষে। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী হবিগঞ্জের ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৬ ছাত্রছাত্রীকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়। (১৭ জানুয়ারী সোমবার) পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় এরই মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৫৬ জনকে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ।
.png)
এদিকে, শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের শতভাগকেই টিকার আওতায় আনতে বর্ধিত করা হয়েছে সময়সীমা। মাঠে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।
তাহসিন আহমেদ চৌধুরীসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, করোনার জন্য একটা সময় বাসা থেকে বের হতেই ভয় লাগতো। তবে এখন টিকা দেওয়ার পর নিজেকে অনেকটা সুরক্ষা মনে হচ্ছে।
তারা বলেন, এত দ্রুত আমরা টিকা পাব তা কখনো চিন্তাই করেনি। তাই টিকা কার্যক্রম বেগবান হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানাই।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ জানান, ফাইজারের টিকা সংরক্ষণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ প্রয়োজন। তাই প্রথম দিকে ব্যবস্থাপনায় কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল। তবে এবার তারা শতভাগের দ্বারপ্রান্তে। সবার প্রচেষ্টায় শিগগির শতভাগ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় আসবে।