বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র মতে, গত ১১ জানুয়ারি প্রথম মেধাতালিকার ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়। পরে ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। ২৫ জানুয়ারি এর ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ২ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়। এই তালিকায় স্থানপ্রাপ্তদের ভর্তি শেষ হয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি।
.png)
আরো পড়ুন>>> ইবিতে চার সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
তৃতীয় মেধাতালিকার ভর্তি শেষে এ পর্যন্ত তিন ইউনিটে মোট ২০৯৫ আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছেন ৮২৫জন শিক্ষার্থী। ফলে এখনো ১হাজার ২৭০ টি আসন খালি রয়েছে। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৫৫০ টি আসনের মধ্যে ২৭৪টি, কলা, ‘বি’ ইউনিটে ১০৯৫টি আসনের মধ্যে ৭৪৬টি ও ‘সি’ ইউনিটে ৪৫০ টি আসনের মধ্যে ২৫০টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
পরবর্তী মেধা তালিকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. আহসান উল আম্বিয়া বলেন, 'কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক আমরা তৃতীয় মেধাতালিকার ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। তৃতীয় মেধাতালিকার পরও আসন খালি থাকলে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা নিতে পারবে। খালি আসনগুলো কিভাবে পূরণ করা যায় সে বিষয়ে প্রশাসন থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।'
এ বিষয়ে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, পুরো ডাটা নিয়ে কাজ চলছে। কয়েকদিনের মধ্যে ওয়েবসাইটে নতুন করে মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে।
আরো পড়ুন>>> আবারো কৃষ্ণচূড়ায় রাঙাবে ইবির প্রধান ফটক
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয় গুচ্ছভুক্ত ২০ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথমবারের মতো এটি চালু হয়।
শিক্ষার্থীরা বলছে, অনেকে ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করলেও ভর্তির সুযোগ পায়নি। আবার কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সরাসরি মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। অনেকে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভর্তি হয়নি। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষেরও নানামুখী ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য আসন, ভর্তিসহ এ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।