আটক যুবক চট্টগ্রামের চকোরিয়া থানার রফিকুল ইসলামের ছেলে ইকবাল হোসেন সাঈদ৷
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
.png)
সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল বলেন, ভর্তি জালিয়াতির প্রাথমিক সত্যতা থাকায় তাকে ভর্তি কমিটি আটক করে। আটককৃত শিক্ষার্থীই মূল রেজিস্ট্রেশনকারী। তার হয়ে অন্য কেউ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, সে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এ কাজে তাকে দুইজন সহযোগিতা করেছে। তবে কে বা কারা তাকে সহযোগিতা করেছে তা স্বীকার করেনি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য প্রক্টর অফিসে ঐ যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা যায়, ইকবাল হোসেন সাঈদ নামে এক শিক্ষার্থী ভাইভা দিতে এসেছেন। এসময় সে যে স্বাক্ষর দিয়েছে তা ওএমআর শিট ও উপস্থিতি শিটের সাথে সম্পূর্ণ পৃথক থাকায় সন্দেহজনকভাবে তাকে আটক করে ভর্তি কমিটি। পরে আটককৃত ঐ শিক্ষার্থী ভর্তি জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করে। প্রাথমিক সত্যতা থাকায় ভর্তি কমিটি আটককৃত ঐ যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্টোরিয়াল বডির নিকট হস্তান্তর করেন।
উল্লেখ্য, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চট্রগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে তার হয়ে অন্য কেউ পরীক্ষা দিয়েছে।