ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

শাবিপ্রবির নতুন ছাত্র উপদেষ্টা হলেন অধ্যাপক আমিনা পারভীন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:২৫, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২
শাবিপ্রবির নতুন ছাত্র উপদেষ্টা হলেন অধ্যাপক আমিনা পারভীন
অধ্যাপক আমেনা পারভীন- ফাইল ফটো

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নতুন ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আমেনা পারভীন।

রোববার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমদ অসুস্থ হওয়ার কারণে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. আমেনা পারভীনকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি বিধি মোতাবেক দায়িত্ব ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ তার যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

Advertisement

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা ভিসি বিরোধী আন্দোলনে নামে। শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে তারা এই এক দফা দাবি করে। ভিসি পদত্যাগের দাবিতে টানা সাত দিন অনশন করে ২৮ জন শিক্ষার্থী। এ সময় শিক্ষার্থীরা ভিসি পদত্যাগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক এবং প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি বেগম সিরাজুন্নেসা হলের অব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন আনুষঙ্গিক সমস্যা থাকায় ঐ হলের ছাত্রীরা হল প্রভোস্টের কাছে কল দিলে তিনি তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। নিয়মিত এ ধরনের সমস্যা হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মধ্যরাতেই আন্দোলন শুরু করে। রাত আড়াইটার দিকে ভিসি এসে তাদের আশ্বাস দেন। ফলে তারা হলে ফিরে যায়। পরদিন থেকেই ছাত্রীরা ঐ হলের প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। লাগাতার চারদিন আন্দোলন করেও তাদের দাবি না মানায় শিক্ষার্থীরা এক পর্যায়ে ১৬ জানুয়ারি ভিসিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনের ৩৩৩ নং কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। প্রায় দুই ঘন্টা ঐ কক্ষে অবরুদ্ধ থাকেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের ক্রাইসিস রেসপন্স টিমসহ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হঠাৎ করেই শিক্ষার্থীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় পুলিশ। এসময় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ভিসিকে মুক্ত করে নিয়ে যায়। এতে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক, আরো কয়েকজন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ভিসি পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!