ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত পাবিপ্রবির শিক্ষার্থী

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৪০, ১৪ মার্চ ২০২২
বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত পাবিপ্রবির শিক্ষার্থী
পাবনা সদর হাসপাতালে আহমদুল্লাহ হাসান (তায়েব)।

পাবনা শহরের মুজাহিদ ক্লাব এলাকায় বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী। পরে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

রোববার (১৩ মার্চ) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীর নাম আহমদুল্লাহ হাসান (তায়েব)। তিনি পাবিপ্রবির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত আনুমানিক ১০টার সময় তায়েবের স্ত্রী (বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী) টিউশনি শেষে ফেরার সময় মুজাহিদ ক্লাব এলাকায় এক বখাটে তাকে উত্যাক্ত করে। স্ত্রীকে টিউশনি থেকে আনতে গেলে তায়েব ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে। এরপর স্ত্রীকে উত্যাক্তের প্রতিবাদ করতে গেলে বখাটে তায়েবকে মারধর করতে আসলে দুজনের দস্তাদস্তি হয়। একপর্যায়ে বখাটে তায়েবের হাতে এবং পায়ে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তায়েবকে বাঁচাতে গেলে বখাটে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এতে আহত হন তায়েবের স্ত্রী। পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

Advertisement

এই ঘটনা জানার পর পাবনা সদর হাসপাতালে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হাসিবুর রহমান এবং ছাত্র উপদেষ্টা দফতরের পরিচালক ড. সমীরণ কুমার সাহা। 

প্রক্টর ড. হাসিবুর রহমান ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে ছুটে এসেছি। ঘটনার পরপরই পাবনা সদর থানাকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বখাটেকে খুঁজে বের করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, আমরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে থানায় মামলা করার কথা বলেছি। শিক্ষার্থী মামলা করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যতোটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন আমরা সেটা করবো।

ছাত্র উপদেষ্টা দফতরের পরিচালক ড. সমীরণ কুমার সাহা ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ঘটনা শোনার পর পরই আমি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে আসি। এই ধরনের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করেছি। আশা করছি উনারা বখাটে ছেলেটিকে ধরে আইনের আওতায় নিয়ে আসবেন।

এই ঘটনায় পাবনা সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ঘটনাটি ঘটার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আমাদেরকে ব্যাপারটি অবহিত করে। আমরা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে দেই। ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা বখাটের নাম, পরিচয় জানতে পারি। এই বখাটের নামে এর আগেও থানায় অনেকগুলো অভিযোগ এসেছে। আমরা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আশা করছি ঐ বখাটাকে আমরা খুব শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হবো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!