মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সকালে নিজ কার্যালয়ে অজয়ের মা পাপিয়া মজুমদারের হাতে এই চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্সের পরিচালক ড. ফিরোজ আহমেদ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন ড. এএসএম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক বিপ্লব মল্লিক, রেজিস্ট্রার (অ. দা.) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, অর্থ ও হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ সাইদুর রহমানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
.png)
এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, অজয়ের ক্ষতিপূরণ আমরা কোনোদিন দিতে পারবো না। তার মৃত্যুতে তার পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা অনুদান দিলাম। আশা করি তার পরিবার এই অর্থ দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। ভবিষ্যতেও যদি তার পরিবারের কোনোপ্রকার সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করব। দোয়া করি সৃষ্টিকর্তা অজয়কে স্বর্গবাসী করুক।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর নোয়াখালী সদর উপজেলার সোনাপুর জিরো পয়েন্ট এলাকায় ট্রাকচাপায় মারা যান অজয় মজুমদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয়বর্ষের ছাত্র ছিলেন। সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের বাদল চন্দ্র মজুমদার ও পাপিয়া মজুমদার দম্পতির ছেলে তিনি।