গতবছরের মতো এবারো দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষা। এরআগে প্রথমবারের মতো ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় দেশের আট বিভাগীয় শহরে।
যেসব কেন্দ্রে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চট্টগ্রাম), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাজশাহী), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা)।
.png)
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩ জুন থেকে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা।
বুধবার (৬ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) জেনারেল এডমিশন কমিটির সভায় এটি চূড়ান্ত করা হবে।
সভায় বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার তারিখগুলো হলো ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ জুন, কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৪ জুন, বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১০ জুন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১১ জুন এবং চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ১৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
ভর্তি আবেদন ফি জমা নেয়া শুরু হবে ২০ এপ্রিল থেকে এবং শেষ হবে ১০ মে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ডিনস কমিটির সভায় প্রাথমিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেটি আগামীকাল জেনারেল এডমিশন কমিটির সভায় উঠবে। সেখানে সবার সম্মতিক্রমে তারিখ ও যাবতীয় বিষয় চূড়ান্ত করা হবে।
কমছে আবেদনে জিপিএ:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ প্রাপ্ত জিপিএর যোগফল ন্যূনতম ৮ থাকতে হবে। গতবছর সেটি ৮ দশমিক ৫ ছিলো। তবে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের জিপিএ আলাদাভাবে ৩ দশমিক ৫ থাকার সিদ্ধান্ত আগের নিয়মেই বহাল থাকবে। একইভাবে মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৭ দশমিক ৫ এবং আলাদাভাবে ৩ থাকতে হবে।
মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৭ দশমিক ৫ এবং আলাদাভাবে ৩ থাকতে হবে। গতবছর ছিলো জিপিএ ৮ এবং আলাদাভাবে ৩ দশমিক ৫। এ ছাড়া চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটে আগে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ প্রাপ্ত জিপিএর যোগফল ৭ থাকতে হতো, এবার সেটি কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ করা হয়েছে।