এবারের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান।
সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ।
.png)
অর্থাৎ এবার এ তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নেতৃত্ব দিবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)।
তবে কেন্দ্রীয় এ কমিটির বাইরেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ কমিটি রয়েছে বলে জানা গেছে।
চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট এর কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, প্রকৌশল গুচ্ছ পরীক্ষা পরিচালনার জন্য কমিটি গঠিত হয়েছে৷ পরবর্তী কার্যক্রম ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সভায় আলোচনা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপাতত সভায় পরীক্ষার তারিখ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সামনের সভায় পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ হতে পারে বলে আশা রাখছি।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার তারিখের আশেপাশে হতে পারে। এরইমধ্যে বুয়েট ভর্তি প্রিলিমিনারি ও চূড়ান্ত তারিখ ঘোষিত হয়ে গিয়েছে। সে হিসেবে এ তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখও এমন সময়ে হতে পারে।
প্রথমবারের মত ২০২০-২১শিক্ষাবর্ষে চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে ছিলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।
এতে সভাপতি ছিলেন চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম। সদস্য সচিব ছিলেন চুয়েটের অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গতবারের প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ করে উক্ত কমিটি।
গতবছর ৩ হাজার ২০১টি আসনের জন্য যোগ্য আবেদনকারীর মধ্য থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের মোট নম্বরের ভিত্তিতে শীর্ষ ৩০ হাজার জনকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছিলো। আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছিলো ২০১৭ অথবা ২০১৮ সালে মাধ্যমিক কিংবা সমমানে সর্বনিম্ন জিপিএ-৪ এবং উচ্চমাধ্যমিকে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে আলাদা আলাদাভাবে জিপিএ-৫ নিয়ে মোট গ্রেড-২০ থাকতে হবে।
সাধারণ প্রকৌশল বিভাগসহ এবং নগর ও পরিকল্পনা বিভাগ, অর্থাৎ গ্রুপ ‘ক’-তে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৫০০ নম্বর। প্রকৌশলের পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে গ্রুপ ‘খ’-তে ৭০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত চুয়েটে আসন ৯০১টি ও সংরক্ষিত ১১টি, কুয়েটে ১ হাজার ৬৫ ও সংরক্ষিত ৫টি এবং রুয়েটে ১ হাজার ২৩৫ ও সংরক্ষিত ৫টি আসন।