চাকরির চেয়ে ব্যবসাকে লাভবান মনে করেই শুরু করেন দই ব্যবসা। শুরুতে সেভাবে বিক্রি না হলেও ধীরে ধীরে সাফল্য দেখতে শুরু করেছেন ফাহিম।
ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করা এবং কম লাভে বেশি দই বিক্রি করার উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে ২০২১ সালের দইয়ের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে বগুড়ার দই বিক্রি করে লাখ টাকা আয় করেছেন।
.png)
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘বগুড়ার দই কুবিতে’ নামের এক ফেসবুক পেইজকে বেছে নিয়েছেন ফাহিম। নিয়মিত আপডেট দিয়ে তিনি অর্ডার নিয়ে থাকেন। অল্প সময়ে কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেন দই।
ফাহিম জানান, তার কাছে বগুড়ার স্পেশাল দই, বগুড়া শাহী দই, বগুড়ার কাপ দইসহ কয়েক ধরনের দই প্রি অর্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করেন। ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি।
শুরুতে কম সাড়া পড়লেও যা ক্যাম্পাসে ভালোই সাড়া জাগিয়েছে। ফেসবুক পেইজে দই পাওয়ার জন্য প্রি-অর্ডার করলে সুবিধা অনুযায়ী ডেলিভারি দেয়া হয়।
শুধু ক্যাম্পাসেই এই ব্যবসাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি ফাহিম। ক্যাম্পাসের চারপাশেও নিয়মিত দই সাপ্লাই দিচ্ছেন ফাহিম। বগুড়ার সঙ্গে যোগাযোগ আশপাশের জেলাগুলোতে দই অর্ডার নিচ্ছেন তিনি। এই দই ফ্রিজে রাখা ছাড়াই ২৪-২৮ ঘণ্টা সংরক্ষণ করা যায় বলে জানান ফাহিম।
স্বল্প পুজিঁতে ব্যবসা শুরু করেও কিভাবে সাফল্য পেয়েছেন তা জানিয়েছেন ফাহিম। তিনি বলেন, স্বল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করি। লকডাউনে ভাবলাম বাসায় বসে না থেকে কিছু একটা করি। অনেক কিছুর ভিড়ে আমার দইয়ের বিষয়টি মাথায় আসে। শুরু করি দইয়ের ব্যবসা এবং ভালো সাড়া পেতে লাগলাম। ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আমরা মূলত ফেসবুক পেইজ এবং গ্রুপের মাধ্যমেই দইয়ের আপডেট দিয়ে থাকি এবং ক্রেতারা যোগাযোগ করলে আমরা তাদেরকে ডেলিভারি দেই।