১. পড়তে হবে মূল বই: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য মূলবই অর্থ্যাৎ পাঠ্য বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। যারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের এসব পাঠ্যবই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে পারে তাদের প্রস্তুতি ভালো হয়। তাই এসব পাঠ্যবইয়ের খুঁটিনাটি পড়তে হবে। গুরুত্ব দিতে হবে এসব বইকে। মূল বিষয়বস্তু বুঝে প্রস্তুতি নিলে সেটা বেশি ফল পাওয়া যায়।
যেমন: ২০২০-২১ এ ঢাবি ‘গ’ ইউনিট লিখিত প্রশ্নে, বাংলা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নটি ছিলো মূলত অনুধাবনমূলক। আবার, বাংলা-ইংরেজি বা ইংরেজি-বাংলা অনুবাদ, Concept/ Precis Writing টা তখনই ভালো হবে যখন ইংরেজির বেসিকটা ভালো থাকবে।
.png)
২. অনুশীলন: অনুশলীন প্রস্তুতিতে দক্ষতা বাড়ায়। তাই সুন্দর অনুশীলনে প্রস্তুতি আরো সমৃদ্ধ হয়। পড়াশোনা পাশাপাশি অনুশীলনেরও কোনো বিকল্প নেই। এর সঙ্গে রাখতে হবে প্রশ্নব্যাংক। যেখানে থাকবে বিগত বিভিন্ন বছরের প্রশ্নপত্র। এখান থেকে জানা যাবে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে। পাওয়া যাবে সঠিক ধারাণা প্রশ্নের ছক। এসব প্রশ্ন নিজের আয়ত্তে আসলে প্রস্তুতি আরো সহজ হবে।
যেমন: ঢাবি ‘গ’ ইউনিট ২০২১ এ ব্যবসায় শিক্ষার বিষয়গুলোতে লিখিত প্রশ্নে গাণিতিক প্রশ্নের চেয়ে বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
৩. নিজের দুর্বলতা: বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আসনের জন্য অনেককেই লড়তে হয়। প্রতিযোগীদের সংখ্যাও বেড়ে যায়। শহর থেকে বিভাগীয় শহরের সেরা সব মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তাই তাদের কথা না ভেবে আগে নিজের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সেগুলো সংশোধন করে নিজেকে তৈরি করতে হবে।
৪. সময়টাকে মূল্যায়ন: প্রস্তুতির সময়টাকে মূল্যায়ন করতে হবে। কথায় আছে, সময়ের কাজ সময়ে করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রস্তুতি ভালো হলেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলাতে না পেরে পরীক্ষা খারাপ হয়। যেহেতু পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী আর লিখিত দুটোই থাকছে এবং প্রত্যেকটার জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ তাই সময়ের মধ্যে শেষ করার অভ্যাসটা করতে হবে। আর এ জন্য দরকার সময় ধরে অনুশীলন। নেগেটিভ মার্কিং এর বিষয়টিও অনুশীলনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে ভুল করা যাবে না।
৫. ভেঙে পড়লে হবে না: ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে ভেঙে পড়লে হবে না। এসময় প্রত্যেকেরই কিছুটা নার্ভাসনেস কাজ করবে এটা খুবই স্বাভাবিক। তাই কোনো প্রকার হতাশাকে সঙ্গে রাখা যাবে না। নার্ভাস হওয়া যাবে না। কারণ অনেক সময় নার্ভাস হওয়ার কারণে জানা বিষয়গুলোও ভুল হয়। তাই পরীক্ষার হবে অনেকটা ঠান্ডা মাথায় আর স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে হবে।
সবশেষে, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে।