এ ঘটনায় আহতরা হলেন চবির যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রায়হান (২৫) ও দোকানদার মো. আলমগীর।
অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. আরমান (২১) ফতেপুরের মুহাম্মদ মাহমুদের ছেলে। এতে অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।
.png)
বুধবার (২৯ জুন) রাত সোয়া ৮টায় ফতেপুরে মাইজপট্টির আলাওল দীঘি মসজিদের পাশে জান্নাত এন্টারপ্রাইজ দোকানে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী রায়হানের বাবা হাটহাজারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী মো. রায়হান জানান, অভিযুক্ত আরমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিল। বুধবার রাতে আমাদের মুদি দোকানে চাঁদা চাইতে আসলে আমি সেখানে যাই। এ সময় সে মুদিপণ্যের গাড়ি প্রতি ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আরও কয়েকজন বখাটে সহ আমাকে এলোপাথাড়ি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আমার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। পরে দোকানদার আলমগীর বাধা দিতে আসলে তাকেও লাঠিসোঁটা দিয়ে বেদম মার দেয়।
তিনি আরও জানান, আমাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে দেখে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় পুনরায় চাঁদা না দিলে অথবা থানায় কোন অভিযোগ করলে আমাকে আরও মারধর ও খুন করার হুমকি দিয়ে যায়। মারধরের কারণে আমার চোখের নিচে এবং নাক ফেটে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে আমার নাকে তিনটি সেলাই দেওয়া হয়। আহত আলমগীরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। আমি অভিযুক্ত চাঁদাবাজদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু কাজে থানার বাহিরে আছি তাই অভিযোগটি এখনও দেখিনি। থানায় গিয়ে অভিযোগটি দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।