রোববার (৩১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানা গেছে।
জনসংযোগ দপ্তরকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাবিপ্রবি উপাচার্য ১৯৮৪ গবেষণা কাজে কানাডায় ভ্রমণ করে। ভ্রমণকালে সেখানকার দি রয়েল টাইরেল জাদুঘর থেকে ৭০ হাজার বছরের পুরনো ডাইনোসরের চারটি ফসিল সংগ্রহ করেন। প্রায় ৪০ বছর উপাচার্য চারটি ফসিল নিজের তত্ত্বাবধানে রাখার পর ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।
.png)
যাচাই বাছাই শেষে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জুলাই মাসে ফসিল চারটি জাদুঘরের প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের সংগ্রহশালায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ নিয়ে বাংলাদেশ জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান পাবিপ্রবি উপাচার্যকে এক ধন্যবাদপত্র পাঠিয়েছেন।
ধন্যবাদপত্রে মো. কামরুজ্জামান বলেন, এই ফসিল চারটি হস্তান্তরের মাধ্যমে জাতীয় যাদুঘরের সংগ্রহকে সমৃদ্ধ করেছে। ভবিষ্যতে আমরা আপনার আরো বেশি সহযোগিতা কামনা করছি।
জাতীয় জাদুঘরে নিজের সংগ্রহ করা ডাইনোসরের চারটি ফসিল গৃহীত হওয়া নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, কানাডায় বিশেষ জরিপ চালিয়ে এই ফসিল সংগ্রহ করেন সেখানকার বিজ্ঞানীরা, ওদের কাছ থেকে গবেষণার জন্য আমি এগুলো সংগ্রহ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসি। এই ফসিল দুর্লভ। ডাইনোসর নিয়ে দেশ-বিদেশের যারা গবেষণা করবেন তাদের উপকারে আসবে।
কানাডার ড্রামহিলার এলাকার দি রয়েল টাইরেল জাদুঘর ডাইনোসরের ফসিল সংগ্রহ এবং প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত। এ জাদুঘর দীর্ঘদিন ধরে ডাইনোসের ফসিল সংগ্রহ ও প্রদর্শন করছে। ডাইনোসরের ফসিল সংগ্রহে এটি সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে সমৃদ্ধ। জীবাশ্মবিজ্ঞান সংগ্রহে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা প্রশংসিত।