সাভার বিএনসিসি একাডেমিতে আয়োজিত পাঁচদিন ব্যাপী ক্যাম্পে তিনি শ্রেষ্ঠ ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন। এতে ৩ ব্যাটালিয়নের অধীনে সব প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটগণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিযোগিতায় ড্রিল, কালচারাল, ডিসিপ্লিন বিভাগে অংশগ্রহণ করে তিনি শ্রেষ্ঠ ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি মোট ১০ রাউন্ড গুলি করে নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে পুরুষ ডিভিশনে প্রথম স্থান অধিকার করে শ্রেষ্ঠ ফায়ারারও নির্বাচিত হয়েছেন।
.png)

এছাড়াও ক্যাম্পে সরকারি বাঙলা কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন সেনা শাখার ৩ ব্যাটালিয়নের রমনা রেজিমেন্ট থেকে পাঁচজন ক্যাডেট অংশগ্রহণ করেন। তারা হলেন, ক্যাডেট কর্পোরাল মিজানুর রহমান, ক্যাডেট কর্পোরাল আব্দুর রহমান, ক্যাডেট ল্যান্স কর্পোরাল সাদিয়া আক্তার, ক্যাডেট মারুফা আক্তার ও ক্যাডেট সানজানা নওরোজ মেহেনী। এদের মধ্যে ক্যাডেট কর্পোরাল মিজানুর রহমান ১০ ইঞ্চি গ্রুপিং ফায়ারিং ও ক্যাডেট কর্পোরাল আব্দুর রহমান নৃত্য পরিবেশনায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।
ঐদিন রাতে রমনা রেজিমেন্টের রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাহাত নেওয়াজ কর্তৃক বিজয়ী ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়৷ এ সময়ে রমনা রেজিমেন্টের অফিসারবৃন্দ, প্রশিক্ষকগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পিইউও ও ৩ ব্যাটালিয়নের অধীনে সব প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে পলাশ কুমার বলেন, আমি খুবই আনন্দিত, অত্র ব্যাটালিয়নের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ক্যাডেট ও শ্রেষ্ঠ ফায়ারার নির্বাচিত হয়েছি। আমরা বিএনসিসি ক্যাডেটরা বরাবরই শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার চেষ্টা করি, আমাদের সুস্থ শারীরিক এবং মানসিকতার বিকাশে বিএনসিসি একটি কার্যকরী প্লাটফর্ম। আমি ও আমার প্লাটুন সরকারি বাঙলা কলেজ বিএনসিসি সেনা শাখা এই গৌরবের অংশ হতে পেরে গর্বিত।
রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাহাত নেওয়াজ পলাশ কুমারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার সময় তাকে শুভকামনা জানান।