শেকৃবিতে ৬ মাসের সেমিস্টার ৪ মাস ১০ দিনে
করোনাকালীন সময়ে সৃষ্ট সেশনজট কমানোর লক্ষ্যে ৬ মাসের সেমিস্টারকে সময়ের অনেক আগেই শেষ করেছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কৃষি অনুষদ। এতে শিক্ষার মান সঠিকভাবে নিশ্চিত হচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন অনেকেই। তবে শিক্ষার্থীদের সেশনজট মুক্ত করতে যথাযথভাবে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ৭৭ তম ও ৭৮ তম ব্যাচের লেভেল ৪ সেমিস্টার ১ ও লেভেল ৩ সেমিস্টার ১ আগস্টের ২১ তারিখে শুরু হয়। যা শেষ হয়েছে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ। ফলশ্রুতিতে ৬ মাসের সেমিস্টার ৪ মাস ১০ দিনে শেষ করতে পেরেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এভাবে দ্রুতই চলমান শিক্ষাবর্ষগুলোর সেশনজট কমিয়ে আনা যাবে বলে আশা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।
সেশনজট ও সেমিস্টারের সময় কমিয়ে আনা নিয়ে তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আমরা এরই মধ্যে এক বছর সেশনজটে রয়েছি। সেখানে আমাদের সেমিস্টারটি দুই মাস আগেই শেষ হওয়ায় কিছুটি স্বস্তি পাচ্ছি। তবে পরবর্তী সেমিস্টারগুলোও কিছুটা কমিয়ে এনে শেষ করলে হয়তো আমাদের সেশনজট আরো কমিয়ে আনা যেতে পারে।
.png)
তবে পরবর্তী সেমিস্টারগুলোতেও সময় কমিয়ে আনা হবে কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক পরিমল কান্তি বিশ্বাস ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা করোনা পরবর্তী পরীক্ষা ও ফলাফল দ্রুত শেষ করেছি। পাশাপাশি ঠিক পরের সেমিস্টারটি অপেক্ষাকৃত কম সময়ে শেষ করেছি যেন করোনার সময়ের ক্ষতিটা কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যায়।
তিনি আরো বলেন, এখন আমরা ৬ মাসের চেয়ে কিছুটা কম সময়ে সেমিস্টার শেষ করার চিন্তা নিয়ে ক্লাস রুটিন ও পরীক্ষার শিডিউল তৈরি করেছি। এতে শিক্ষার মান ঠিক থাকবে পাশাপাশি সেশন জটও সামান্য কমতে পারে।