রোববার (১৫ জানুয়ারি) হোটেল মালিক মানিক হোসেন বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শনিবার সকালে আব্দুল আলিম মিঠু ভাই দোকান চালু করতে ১৫ হাজার টাকা সহায়তা করেছেন। আমার খাবারের দোকানের উপর ভরসা করে পরিবার চলে। এভাবে যদি সবাই আমার কষ্টে সহযোগিতা করে তাহলে আমি আমার পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারব।
.png)
জানা যায়, আবদুল আলিম মিঠু বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৩-০৪ সেশনের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে রেলওয়ের টিটিই পোস্টে পাবনার ঈশ্বরদীর স্টেশনে কর্মরত আছেন। তিনি নবাব আবদুল লতিফ হলে থাকাকালীন ঐ হলের ক্যান্টিন চালাতেন মানিক হোসেন বাবু।
আব্দুল আলিম মিঠু বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে তার সম্পর্ক জানতে পারি। আমি যখন ছাত্র ছিলাম লতিফ হলে ক্যান্টিন চালাতেন বাবু। এমন বিপদে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছি এবং দোকান চালু করার পরামর্শ দিয়েছি। প্রয়োজন হলে আরো সহযোগিতা করব।
তিনি আরো বলেন, আশা করছি, যারা বাকি খেয়েছেন তারা দ্রুত বাবুকে বাকির টাকা পরিশোধ করে দিবেন। তারও পরিবার আছে, তারও বাঁচার অধিকার আছে।
প্রসঙ্গত, মানিক হোসেন বাবু বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে খাবারের দোকান চালান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাকি খেয়ে টাকা না দেওয়ায় আড়াই লাখ টাকা বাকি পড়ে তার। বাধ্য হয়ে গত ২১ ডিসেম্বর দোকান বন্ধ করে দেন তিনি। মিডিয়ায় খবরটি প্রকাশ হওয়ার পর গত ৭ জানুয়ারি ১০ হাজার টাকা সহযোগিতা করেন রাবির সাবেক শিক্ষার্থী আমেরিকান প্রবাসী তানভীর ওয়াহিদ।