রোববার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে পর্দা উঠল এবারের আবৃত্তি উৎসবের। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা।
উৎসবের আলোচনা সভা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে। আবৃত্তিমঞ্চ উপদেষ্টা ও দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাছুম আহমেদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী।
.png)
বৃন্দ পরিবেশনা ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’র মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসবের আবৃত্তি পর্ব। এ পর্বে আবৃত্তি পরিবেশন করেন মাসকুর এ সাত্তার কল্লোল, ফারুক তাহের, প্রণব চৌধুরী, মুজাহিদুল ইসলাম ও শুভাশিস শুভ। এছাড়াও পরিবেশিত হয় দ্বৈত প্রযোজনা ভালোবাসার উপাখ্যান ও বৃন্দ পরিবেশনা মহুয়ার পালা।
সম্মাননা প্রাপ্ত অভিনেতা ও শিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা নিয়ে একদমই হীনমন্যতায় থাকা যাবে না। কিছু কিছু ভাষাবিদ আমাদের মধ্যে কথ্যভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় কথা নিয়ে মারাত্মক লজ্জিত হওয়ার সংস্কৃতির প্রচলন করেছেন, যেটি ঠিক না। এছাড়া তিনি চবি আবৃত্তি মঞ্চসহ চট্টগ্রামে অন্যান্য যেসব প্রমিত ভাষা চর্চার সংগঠন আছে সেগুলোর কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।