আগামী এক বছরের জন্য আইনুল হকের গবেষণা প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়ে।
এ প্রকল্পের সহতত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করবেন কুবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী।
.png)
জানা যায়, বিভিন্নক্ষেত্রে গবেষণা করতে মোট নয়জন গবেষকের নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ‘লিটারেচার্স ভিশন অ্যান্ড পার্সপেক্টিভ অব লাইব্রেরি এন্ডেভর: ইনভেস্টিগেটিং রিডার্স অপিনিয়ন অ্যান্ড এটিটিউড রিগার্ডিং স্মার্ট লাইব্রেরি ইন্টারভেনশন ইন কুমিল্লা ডিস্ট্রিক্ট’ বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণা করবেন আইনুল হক।
এছাড়া অনুমোদন পাওয়া অন্য আটজন গবেষক হলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সিকদার মো. জুলকারাইন, বাংলা একাডেমিক গবেষণা উপবিভাগের উপ পরিচালক ড. তপন কুমার বাগচী, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুসেন জাহান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডির্পামেন্ট অব ডেভেলোপমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফারুক শাহ, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ডেপুটি পরিচালক মো. আমিরুজ্জামান, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আহসান হাবিব এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক বুলবুল আহমেদ।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গবেষণার বিষয়ে আইনুল হক বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আমার গবেষণা প্রকল্পটি অনুমোদন পেয়েছে। সরকারের একটি গ্রন্থাগার নীতি আছে যেখানে ২ কিলোমিটার পর পর লাইব্রেরি স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। সেটিকেই আমি নৃবৈজ্ঞানিক পারসফেক্টিভের আলোকে দেখব, লাইব্রেরি ব্যবহারকারীরা আসলে কি ধরণের লাইব্রেরি চাচ্ছে সেটা। জেলার বিভিন্ন স্থানে স্মার্ট লাইব্রেরিটা কেমন হবে, সে বিষয়ে গবেষণা করব আগামী এক বছরে।