ফিল্ডওয়ার্কটিতে সার্বিক সহযোগিতা করেছে একই বিভাগের সংগঠন ইউবিজিএস- ইউনিভার্সিটি অব বরিশাল জিওফিজিকাল সোসাইটি এবং ইয়ুথ ম্যাপার্স- ইউনিভার্সিটি অব বরিশাল।
ফিল্ডওয়ার্ক এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পরিবেশগত সমস্যা নির্ধারণ, সমস্যা সমাধানে করণীয়, সমুদ্র সৈকতে দূষণ রোধ, সমুদ্র সৈকতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এ কাজের সুপারভাইজার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মো. আব্দুল্লাহ সালমান।
.png)
আব্দুল্লাহ সালমান বলেন, এ রকম এনভারমেন্টাল ফিল্ডওয়ার্ক শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমরা প্রায়শই দেখি, আমাদের সমুদ্র সৈকতগুলো বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত ঝুঁকিতে থাকে, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকে, যার ফলে সমুদ্র সৈকতগুলো দূষিত হচ্ছে এবং সমুদ্র সৈকতের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই ফিল্ডওয়ার্ক এর মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যা নির্ধারণ, সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন উপায় উপকরণ হাতে-কলমে শিখিয়ে দেবার চেষ্টা করছি। যাতে সমুদ্র সৈকতগুলোতে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভারসাম্য বজায় থাকে। ভবিষ্যতে আমাদের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ইএজিই- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, এরকম একটি ফিল্ডওয়ার্ক আয়োজন করতে পেরে আমরা সবাই আনন্দিত। প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে আবেদনের মাধ্যমে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে আমরা বাছাই করা করেছি। আমরা এর মাধ্যমে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে ফুল ফান্ড দিয়ে নতুন কিছু শেখার সুযোগ করে দিতে পেরেছি।