শীতের শুরু থেকেই শীত-শীত আমেজ ছিল ক্যাম্পাসে। তবে ঘন কুয়াশা ডিসেম্বরেও তেমন পরিলক্ষিত হয়নি। গত তিনদিন যাবত সূর্যের আলো দেখা মেলেনি দিনাজপুরসহ উত্তরের অঞ্চলগুলোতে। তবে আজকে এবারের শীতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বিরাজ করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকা সকাল যেন সারাদিন থাকছে। দুপুর হলেও দেখা মেলছে না সূর্যের।
ক্যাম্পাসের মূল ফটক, অ্যাকাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, প্রশাসনিক ভবন, টিএসসি, হাবিপ্রবি স্কুল মাঠসহ পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়ছে সবার। তবে ঠাণ্ডার মধ্যেও থেমে নেই শিক্ষার্থীদের চলাচল। বেলা বাড়ার সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখা যায়। কেউবা শীতকে উপভোগ করতে দলবেঁধে ঘুরছেন, আবার কেউবা ক্লাস করার উদ্দেশ্যেই শীতকে উপেক্ষা করে এসেছেন ক্যাম্পাসে।
.png)

ঘুরতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘুম উঠেই দেখি কুয়াশা। তাই শীতের কুয়াশা উপভোগ করার জন্য ক্যাম্পাসে হাঁটতে এসেছি। শীত মানেই দারুণ কিছু মুহূর্ত, কিছু স্মৃতি। আর শীত এবং কুয়াশার সমন্বয়ে আমার ক্যাম্পাস সবসময়ই সেরা।
এদিকে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যেও যেন অনুভূতি সৃষ্টি করছে হাবিপ্রবির কুয়াশা জড়ানো শীত। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তুলে ধরছেন হাবিপ্রবিতে থাকাকালীন নিজেদের শীতের অনুভূতিগুলো।
হাবিপ্রবির ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সুজিত কুমার পাল বলেন, হাবিপ্রবি যেন এখন হিমালয় কন্যা। তীব্র শীতের জন্য ক্যাম্পাস ও আশেপাশের দৃশ্য একটু ভিন্ন। গত দুইদিন ধরে দিনাজপুরের তাপমাত্রা ৮-১০°সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। চারদিকে কুয়াশা ও উত্তুরে বাতাসের সঙ্গে শীত জমিয়ে দিচ্ছে মানুষজনকে। শীতকালীন ছুটি ও নির্বাচনের বন্ধের জন্য অধিকাংশ অনুষদের ক্লাস শুরু হবে আগামীকাল ১৪ জানুয়ারি।
এদিকে, এমন শীতে মন না চাইলেও শিক্ষার্থীরা দিনাজপুরের উদ্দেশ্য রওনা হচ্ছেন। এরই মধ্যে কেউ কেউ আবার এসে পৌঁছেছেন দিনাজপুর নামক শীতরাজ্যে।