বুধবার (৬ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষার ঐ ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে এ ভুল দেখা যায়।
প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় শিফটের তিন নম্বর সেটের প্রশ্নপত্রের ৩ ও ১৭ নম্বর প্রশ্নে চারটি অপশনের জায়গায় মাত্র দুটি অপশন এবং ১৪ ও ১৬ নম্বর প্রশ্নে পাঁচটি করে অপশন দেখা গেছে।
.png)
প্রশ্নপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সোলাইমান চৌধুরী বলেন, এটি একটি পাবলিক এক্সাম। যেখানে এই ইউনিটে প্রায় ৭৬ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন। যদি এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ভুল থাকে সেটা অনভিপ্রেয় এবং যা প্রত্যাশিত নয়। কারণ এই প্রশ্নপত্রগুলো বাইরে চলে যায়। যা বিশ্ববিদ্যালয় ভাবমূর্তির সঙ্গে জড়িত। এই প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সঙ্গে যারা থাকে তাদের আরো সতর্কভাবে কাজ করার প্রয়োজন ছিল।
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, এটি অবশ্যই ভুল অ্যাডমিশন টেস্টের প্রশ্নপত্র খুবই সেনসিটিভ একটা বিষয়। অনেক কম্পিটিশন হয় ভর্তি পরীক্ষায় সেখানে একটি দুইটি প্রশ্নের ভুল ত্রুটিতে অনেক পার্থক্য তৈরি হয়ে যেতে পারে। বিষয়টা আমাদের জন্য খুবই লজ্জার। যারা দায়িত্বে ছিলেন, যখনই প্রিন্ট হয়েছে তখনই চেক করে দেখার প্রয়োজন ছিল। যে কমিটির কাজটি করেছে আমি বলব, তাদের এই কাজটি আর সতর্কভাবে করার দরকার ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, সব ত্রুটি তো ইচ্ছাকৃত হয় না। অনেক সময় অনিচ্ছাকৃত বা যান্ত্রিক ত্রুটি হয়ে থাকে। তবে আজ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের যে ত্রুটি ঘটেছে এটি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত। পরে প্রশ্নপত্রটি আমি নিজেও দেখেছি। এ ইউনিটের ডিন আগামীকাল বিষয়টি নিয়ে বসবেন। এতে করে কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত আসবে।