রোববার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান বিভিন্ন হলের সংযুক্ত তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের একদল অনাবাসিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমানের কাছেও স্মারকলিপির একটি অনুলিপি দেন তারা।
শামসুন্নাহার হলের শিক্ষার্থী মালাইকা ইসলাম বলেন, মেয়েদের হলে অনাবাসিক ছাত্রীদের প্রবেশ ও হল ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে যেন বাধা তুলে নেওয়া হয় সেজন্য উপাচার্য ও প্রক্টর স্যারকে আমরা স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। যদিও উপাচার্য স্যারের সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি। তবুও তিনি আমাদের আবেদনপত্র পড়েছেন এবং এ বিষয়ে তিনি বিভিন্ন হল প্রাধ্যক্ষদের সঙ্গে বসবেন বলেছেন।
.png)
প্রসঙ্গত, ঢাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল ও ৪টি হোস্টেল রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রীদের রয়েছে পাঁচটি হল। জানা গেছে হলের অফিস ব্যতীত প্রবেশ করতে পারেন না, হলের অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা।