জানা যায়, নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়নের ফল শিক্ষকরা ‘নৈপুণ্য’ অ্যাপে দেবেন। বছর শেষে ঐ অ্যাপের মাধ্যমেই শিক্ষার্থী মূল্যায়ন হবে। অথচ ৩ মাস পার হলেও অ্যাপের জটিলতাই কাটেনি। চলতি বছর মাধ্যমিকে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রমে কার্যক্রম চলছে। যা চালুর পর থেকেই প্রস্তুতির যথেষ্ট ঘাটতি দেখা গেছে।
শিক্ষা গবেষকেরা বলছেন, এটি সদিচ্ছার ব্যাপার। ইচ্ছা নিয়ে কাজ করলেই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
.png)
শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘নৈপুণ্য’ অ্যাপে ছেলেদের তথ্য ইনপুট দিলে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ‘কাজ চলছে’ বলে দেখাচ্ছে। ফলে সেগুলো আর ইনপুট দেওয়া যাচ্ছে না।
রাজধানীর বাইরের অবস্থা আরো শোচনীয়। ঢাকার বাইরের শিক্ষকের জানান, অ্যাপ পুরোপুরি চালু না হওয়ায় তাদের জটিলতা বেড়েছে। মূল্যায়ন আদৌ হচ্ছে কিনা তাই বুঝতে পারছেন না তারা। অনেক ক্ষেত্রে অ্যাপে ঢুকতে পারছেন না। অন্যদিকে মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কেও স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছেন না অভিভাবকরা।
অভিভাবকরা বলছেন, তারাও এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। বাচ্চাদের কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, তা তারা জানেন না। স্কুল বা সরকারের তরফ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হচ্ছে না।
তবে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, দ্রুতই নিরসন হচ্ছে সফটওয়্যারের জটিলতা। তিনি বলেন, যে স্কুল আমাদের কাছে সমস্যার কথা জানিয়েছে তা ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে। সমস্যা হলে আমাদের জানাতে হবে।