শনিবার (২৫ মে) বেলা পৌনে ৪টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সৌভিক রুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। মাগুরার শালিখা থানার রামকান্তপুর গ্রামে তার বাড়ি। নগরীর সাধুর মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসায় (মেস) থাকতেন।
.png)
রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান রিপন বলেন, বাসার দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। অন্য ছাত্ররা ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সৌভিককে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, সৌভিক আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। কেন এই ঘটনা সে ঘটিয়েছে, সেটি নিয়ে তার রুমমেটের সঙ্গে কথা বলেছি। রুমমেট আমাকে জানিয়েছে যে, কিছুদিন ধরে সৌভিক ডিপ্রেশনে ছিল। কিন্তু কী নিয়ে ডিপ্রেশন তা এখনো জানতে পারিনি।
নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, সৌভিকের লাশ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। তার অভিভাবককেও খবর দেওয়া হয়েছে। তারা মাগুরা থেকে রাজশাহী আসার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের পর মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।