মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি করেন তারা।
রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রত্যয় স্কিমে আমাদের কোনো সুবিধা থাকবে না। আমরা প্রতিমাসে যে টাকা জমা করব, পেনশনের সময় সে টাকাই আমাদের ফেরত দেওয়া হবে। আজকে আমরা এ জায়গায় দাঁড়িয়েছি আমাদের জন্য না, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য। যারা ভবিষ্যৎ এ এই পেশায় আসবে এবং যারা পরবর্তীতে বিভিন্ন পদে যোগদান করবে তাদের কথা ভেবে। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ ও দেশকে রক্ষায় আজকের এই কর্মসূচি।
.png)
তিনি বলেন, যদি আমাদের এই দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া না হয় তাহলে আমরা আগামী ২৫,২৬ ও ২৭ জুন অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যাব। তারপরও যদি আমাদের আন্দোলনের কোনো সুরাহা না হয় তাহলে ৩০ জুন আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে এবং ১লা জুলাই থেকে আমরা সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করব। যা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহেদ হাসান খান বলেন, শিক্ষকদের মানুষ গড়ার কারিগর বলা হয়। কিন্তু সরকার যে বৈষম্যমূলক পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তা দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। আমরা আগে ২ঘন্টা কর্মবিরতি করেছি, আজ আমাদের অর্ধবিরতি। তারপরও যদি এর কোনো সুরাহা না হয় তাহলে আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাব। তা ১ জুলাই থেকে ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে।
ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক হাসনা হেনা বলেন, সরকার পেনশনের বাহিরে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে যে আচরণ করেছে, তা পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করার সমতুল্য। পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপনকে আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। সরকার সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন যদি প্রত্যাহার না করে তাহলে আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করীম, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নুরুল ইসলাম ও অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান। এ সময় রাবি ও রুয়েট প্রাঙ্গণে প্রায় ১০০জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।