জানা যায়, এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- ক্যাম্পাসের রিকশাচালক আরিফুল ইসলাম হৃদয় (১৭), বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের ক্লিনারের ছেলে আদনান (১৪) ও ডেইরি ফার্ম হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর(১৩)।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে স্কুল পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসেন। তারা মীর মশাররফ হোসেন হলের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় তাদের পথরোধ করেন রিকশাচালক আরিফুর। জানতে চান পরিচয়। ঐ দুই শিক্ষার্থী বহিরাগত নিশ্চিত হলে আদনানকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন আরিফ। এসময় উভয়পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরে আদনান এসে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই পরিচয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। তারা ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থীদের সুন্দরবন (বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থানীয় নাম) এলাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এ সময় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তদের হাতেনাতে আটক করে।
.png)
ভুক্তভোগী সাদিক বলেন, ‘আমরা দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে এসেছিলাম। মুক্তমঞ্চের পাশে যাওয়ার পর আমাকে একজন ডেকে নিয়ে যায়। আমার কাছে পরিচয় জানতে চায়। কথা বলার এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে মোবাইল ও ৩০০ টাকা কেড়ে নেয় তারা। নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হলে তারা মোবাইল ফেলে দেয়।'
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন বলেন, ‘দিনের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ২৪ ঘণ্টা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের অফিসাররা সেখানে উপস্থিত হয় এবং তাদের আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছেন। আপাতত তাদের পুলিশে সোপর্দ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’