শুক্রবার বিকেল ৪টায় ঐ সমাবেশে আদিবাসী শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় তারা পাহাড়িদের বাড়িঘর, দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আদিবাসী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা আদিবাসীরা আলাদা রাষ্ট্র চাই না, আমরা আমাদের অধিকার চাই। পার্বত্য চট্টগ্রামে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। আমরা পাহাড়িরা বারবার বলে এসেছি পাহাড়ের সমস্যাকে জিইয়ে রাখার কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মদের ওপর এ ধরনের হামলা বারবার সংঘটিত হচ্ছে। আমরা চাই প্রথমেই খাগড়াছড়ির দীঘিনালাসহ রাঙ্গামাটি এবং পুরো পাহাড়ে জুম্মদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে পার্বত্য সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের জন্য অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হোক।
.png)
তারা আরো বলেন, মূলত পাহাড়ের আদিবাসীদের প্রান্তিক থেকে প্রান্তিক করার জন্যই এ ধরনের চেষ্টা সব সময় করা হয়েছে। আমরা আশা করবো, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং পাহাড়ের আদিবাসীদের সমস্যাকে গভীরভাবে অনুধাবন করে এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। অন্যথায় পাহাড়ের জুম্ম ছাত্রসমাজ তাদের বিরুদ্ধে হওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেই।
পরে তারা পাহাড়ে সেটেলারদের, যাদের জমি এবং রেশনের কথা বলে পাহাড়ে নির্বাসন করা হয়েছিল তাদের সমতলে সসম্মানের সাথে স্থানান্তর করার দাবি জানান।