বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেফতার করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। আটক হওয়া দুই ছাত্রলীগের নেতা হলেন- ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের হল শাখার পদপ্রত্যাশী হাসান সাইদি, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার উপ-দফতর সম্পাদক কাজী শিহাব উদ্দিন তৈমুর। দুজনই বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে , বিশেষ নিরাপত্তায় ছাত্রলীগের এই দুই নেতা লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে পরীক্ষা দিতে এলে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের দেখে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ইনস্টিটিউটের পরিচালককে জানান। পরে তাদের পরীক্ষার কক্ষ থেকে সরিয়ে আলাদা কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য ও পুলিশ আসে এবং তাদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।
.png)
ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী গণমাধ্যমে বলেন, গত দুদিন থেকে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেয়া হচ্ছিল। তারা যখন পরীক্ষা দিতে আসে, তখন কয়েকজন তাদের দেখে ফেলেন। পরে কয়েকজন গিয়ে পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় তাদের আলাদা রুমে নিয়ে রাখেন।
তিনি আরো বলেন, প্রক্টরিয়াল টিম আসার পর আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত হয় তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হবে এবং তাদের শাহবাগ থানায় দেওয়া হবে।
তাদের পুরোনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ঢাবির প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করার পর পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে যায় এবং তাদের আটক করে শাহবাগ থানায় দেওয়া হয়। তাদের নামে আগে থেকেই মামলা রয়েছে। ঐ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।