ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

সংস্কৃতি চর্চার ওপর আগ্রাসনের প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৫৪, ৪ নভেম্বর ২০২৪
সংস্কৃতি চর্চার ওপর আগ্রাসনের প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে সুস্থধারার সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি আগ্রাসন বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাংস্কৃতিক জোট।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় শহিদ মিনার সংলগ্ন সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইজা মেহজাবিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

এসময় জাহাঙ্গীরনগর ডিবেট অর্গানাইজেশনের কর্মী ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, ‘আমরা চাই শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চা স্বাধীনভাবে অব্যাহত থাকুক। একজন সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে আমাকে যেন চিন্তা করতে না হয়, আমি আমার কথা, গান কিংবা বিশ্বাসের কারণে মবের স্বীকার হব।’

নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ণা বলেন, ‘শিল্প চর্চা একটি চির চলমান আন্দোলন। একজন শিল্পীর জীবন চলমান আন্দোলনের প্রধান উপাদান। গত ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের সংস্কৃতি কর্মীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে আঘাত আসছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ নভেম্বর শিল্পকলায় এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমাদের সংস্কৃতি চর্চার একটি নিরাপদ ভূমি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।’

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাচ্ছে। ইদানীং ছোট কারণ পেলেই দেশীয় সংস্কৃতির ওপর একদল ঝাঁপিয়ে পড়ছে। সরকারকে এসব ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেখছি না। দেশের সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক মেহের আফরোজ শাঁওলি বলেন, ‘মবের নামে যে আগ্রাসন চলছে তা বন্ধ হওয়া উচিত। নতুন বাংলাদেশে এরকম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে চাইনি। আপনি যদি মঞ্চ নাটক থামান, তালে মানুষ পথে নেমে নাটক করবে। সাংস্কৃতিক চর্চাকে কখনও থামানো যাবে না।’

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি শরণ এহসান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে কোথাও যেন শিল্পকর্ম মাঝপথে বন্ধ না হয়। দেশের সংস্কৃতিকর্মীরা আন্দোলনে সক্রিয়। যারা জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করুন, বিচারের মুখোমুখি করুন। কিন্তু মবের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। আমরা শিল্প চর্চার নিরাপদ পরিবেশ চাই।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!