ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

কুবি শিক্ষক জসিমের বিরুদ্ধে আবারো যৌন হয়রানির অভিযোগ

কুবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩১, ২০ নভেম্বর ২০২৪
কুবি শিক্ষক জসিমের বিরুদ্ধে আবারো যৌন হয়রানির অভিযোগ
সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, জসিম তার শিক্ষকতাকালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষার্থীর ধর্মীয় আচরণকে কটাক্ষ করেন এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানেন। বিশেষ করে পর্দানশিন শিক্ষার্থীরা বারবারই তার রোষানলে পড়েছে। পর্দানশিন ছাত্রীদেরকে জোর করে নিকাব খুলানো, পর্দা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, জঙ্গি ট্যাগ দেওয়া, ভাইবায় নিকাব খুলতে বাধ্য করা, খুলতে না চাইলে মৌখিক হেনস্তা ও পরীক্ষায় নাম্বার কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের মানসিক নির্যাতন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় আঘাত হেনেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদেরকে তিনি যৌন হয়রানিমূলক মন্তব্য করেছেন। সদাচরণবহির্ভূত মন্তব্য শিক্ষার্থীদের জন্যে অপ্রস্তুতসুলভ ও অপমানজনক। তার এমন বৈষম্যমূলক আচরণে বহু শিক্ষার্থীর অ্যাকাডেমিক ও ক্যারিয়ারে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

Advertisement

এ বিষয়ে অভিযোগকারী সাবেক শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান আনিকা বলেন, আমরা গত এক যুগেরও বেশি সময় অনেকভাবে হয়রানি হয়েছি ও বৈষম্যের শিকার হয়েছি। আমরা চাই না আমাদের আর কোনো অনুজ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক বা নির্যাতিত হোক। এটা নিয়ে আগেও অনেক নিউজ হয়েছে, প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে কিন্তু কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায় বিচার প্রদান করা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, যৌন হয়রানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আমি আঘাত হানতে পারি না। এসব অভিযোগ মিথ্যা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, আমি এখনো অভিযোগপত্র পাইনি। পেলে এ বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তবে এসব বিষয়ে প্রশাসন সবসময় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। পূর্বে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে যা নিয়ে এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগেও মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, পরীক্ষার মার্ক টেম্পারিং, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ এনেছিলো শিক্ষার্থীরা। যার তদন্ত এখনো চলমান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!