ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

ছাত্র অধিকার পরিষদের ৪ দাবি, না মানলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৫৬, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
ছাত্র অধিকার পরিষদের ৪ দাবি, না মানলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাকরির আবেদন ফি কমিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকাসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। অবিলম্বে এসব দাবি মেনে নেয়া না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।

বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, সরকারের দায়িত্ব বেকারত্ব দূর করা। কিন্তু এই সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তার আগে বেকারত্বের জন্য না অনেক কিছু করবেন কিন্তু যখন তারা সরকারে চলে আসে তখন তারা তাদের সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। এবারের যে সরকারের উপদেষ্টার বেশ কয়েকজন ছাত্র উপদেষ্টা সরকারে রয়েছেন। আশা করব, তারা এটি ভুলে যাবেন না। ১৯ নভেম্বর সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, চাকরিতে আবেদনের ফি এর বিষয়ে অ্যাসেসমেন্ট চলছে। কেন এতো সময় নিয়ে অ্যাসেসমেন্ট করা প্রয়োজন? এ অ্যাসেসমেন্ট তো অনেক আগেই করা হয়েছে।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, অর্ডিন্যান্স জারি করে চাকরিতে আবেদনের ফি যেন ন্যূনতম ২০০ টাকা করা হয়। সামনে ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা, ফের ৭০০ টাকা দিয়ে আবেদন করতে হবে চাকরি প্রত্যাশী। আমরা সরকারকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিচ্ছি, যেন অবিলম্বে সরকার যদি তড়িৎ গতিতে এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়। যদি এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেয়া হয়, প্রয়োজনে আমরা আন্দোলনে যাব। কারণ, এ দেশ একটা আন্দোলনের দেশ।

পিএসসির চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ ছাত্রনেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের যে স্থবিরতা রয়েছে সেগুলো যেন অতিদ্রুত কাটিয়ে ওঠা হয়। এখনও পিএসসিতে আওয়ামী আমলে দোসর রয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও যেন তড়িৎ গতিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, ঢাবি শাখার আহ্বায়ক মো. সানাউল্লাহ হক, সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। সেগুলো হলো—

১. চাকরির আবেদন ফি কমিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার মধ্যে করা।

২. প্রিলি পরীক্ষার কাটমার্কস প্রকাশ করা। প্রিলিমিনারি, রিটেন এবং ভাইবার নাম্বারপত্র আলাদাভাবে প্রকাশ ও প্রিলির একসেট উত্তর প্রকাশ করা। 

৩. বিসিএস সর্বোচ্চ এক বছর আর অন্যান্য চাকরিতে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

৪. পিএসসি থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর ও দুর্নীতিবাজদের অপসারণ করা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!