শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, তরিকুল ইসলাম আওয়ামী আমলের একজন কাউন্সিলরের থেকে অর্থ নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করেছেন। এ আয়োজন কুবির জন্য লজ্জাজনক, অপমানের। আওয়ামী কাউন্সিলরের সহায়তা নিয়ে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারীদের অপমানিত করেছেন।
.png)
এ সময় তারা খিচুড়ি ভোজ আয়োজনের অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেন।
সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. হান্নান রহিম বলেন, যেখানে আন্দোলনের সময় আহত অনেকেই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে, সেখানে ওরা এখন এত টাকা খরচ করে খিচুড়ি ভোজ করছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এখন পর্যন্ত ভোজ ছাড়া আর কী দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়েছে? দেশে ইন্ডিয়ান প্রোপাগান্ডা সমানে চলমান। আজ দাউদকান্দিতে আমাদের একজন সহযোদ্ধা নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এসব বাদ দিয়ে তারা খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করছে। এই আয়োজনে নাকি কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম অর্থায়ন করেছেন। তিনি আসলে কোন মোটিভ নিয়ে এই অর্থায়ন করলেন? আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দিতে চাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা সমন্বয়ক তরিকুল ইসলামকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো প্রবেশ করতে পারবেন না।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসাইন বলেন, ওনারা কেন অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন সেটা আমি জানি না। আগে জানবো কারণটা লী, তারপর এ বিষয়ে কথা বলবো।
শুক্রবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও খিচুড়ি ভোজ আয়োজন করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে রোববার পর্যন্ত সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কুবির প্রক্টরিয়াল বডি। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করে শুধু খাওয়া-দাওয়ার অনুমতি দেন প্রক্টর।