ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

চবিতে দ্রুতযান স্পেশাল বাস চালু, ভোগান্তি লাঘব

চবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:০৫, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪
চবিতে দ্রুতযান স্পেশাল বাস চালু, ভোগান্তি লাঘব
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের(চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে শাটল ট্রেনের পাশাপাশি চালু হয়েছে 'দ্রুতযান স্পেশাল সার্ভিস'। ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রাম শহরে মাত্র ৩০ টাকায় যাতায়াত করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে এ সেবার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি বাস মালিক সমিতির সভাপতি হাজী রকিবুল আমিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বাস মালিক সমিতির সদস্যরা।

Advertisement

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-খাগড়াছড়ি বাস মিনিবাস মালিক সমিতির ব্যবস্থাপনায় চালু হওয়া এই বাস সার্ভিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত। শিক্ষার্থীরা মাত্র ৩০ টাকার টিকিটে জিরো পয়েন্ট থেকে সরাসরি নিউ মার্কেটে পৌঁছাতে পারবে। প্রতিটি বাস প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ছেড়ে যাবে, যা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সহজ এবং দ্রুত করবে।

বাসের রুট:

চবি জিরো পয়েন্ট- ১নং গেট রাস্তার মাথা- অক্সিজেন-মুরাদপুর- ২ নং গেট- ওয়াসা- কাজীর দেওড়ী- নিউমার্কেট।

অন্যদিকে, নিউ মার্কেট- পুরাতন স্টেশন- টাইগারপাস- লালখান বাজার- জি ই সি- ২ নং গেট- বায়েজিদ বোস্তামী- অক্সিজেন- ১ নং গেট- চবি। আবার মুরাদপুর থেকেও এই রুট দিয়ে ভিন্ন বাস ছেড়ে আসবে। সকাল ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এই সেবা চলমান থাকবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আইডি কার্ড প্রদর্শন করে মুরাদপুর পর্যন্ত ২৫ টাকা ও নিউমার্কেট পর্যন্ত ৩০ টাকা ভাড়া দিয়ে এই সেবা নিতে পারবে। সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে ৪০ টাকা ভাড়া লাগবে।

বাস সেবাটি সম্পূর্ণ ই-টিকিটিং পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীরা জিরো পয়েন্ট কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করে গন্তব্যে যেতে পারবে। শহরের কাউন্টার থেকে আর টিকিট সংগ্রহের প্রয়োজন হবে না।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার বলেন, দ্রুতযান সার্ভিস চালুর ফলে শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে। শিগগিরই আমরা জোবাইক ও ইকার চালুর পরিকল্পনা করছি। শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা দিনরাত কাজ করছি।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, শহর থেকে ক্যাম্পাস দূরে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নানা সমস্যা ছিল। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করেছি। দ্রুতযান বাস সার্ভিস চালু হওয়া এরই ফলস্বরূপ। আশা করি, এই সেবা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাবে।

বাস সার্ভিস চালুর বিষয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের আশা যাতায়াত ভোগান্তি এবার অনেকটায় কমে যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!